চিজ ড্রিম রেসিপি – স্বাদ ও সৌন্দর্যে ভরপুর Cheese Dream Recipe
চিজ ড্রিম হল একটি স্বপ্নের মতো মিষ্টি যা ছোট থেকে বড় সবার মন কাড়ে। ক্রিমি চিজের স্বাদ ও নরম টেক্সচার মিলিত হয়ে তৈরি করে এক অনন্য অনুভূতি, যা মুখে পড়লেই গলে যায়। এটি শুধু স্বাদে নয়, দেখতেও দারুণ আকর্ষণীয়। তাই পার্টি, জন্মদিন বা বিশেষ অনুষ্ঠানেও চিজ ড্রিম একটি জনপ্রিয় মিষ্টি হিসেবে পরিবেশিত হয়। ঘরে তৈরি করলে আপনি উপকরণের মান নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।চিজ ড্রিম তৈরি করতে প্রয়োজন হয় ক্রিম চিজ, কনডেন্সড মিল্ক, ফ্রেশ ক্রিম এবং প্রয়োজন মতো সুইটনার। এতে বিভিন্ন ফ্লেভার যেমন ভ্যানিলা, চকোলেট বা ফল যোগ করে স্বাদে বৈচিত্র্য আনা যায়। শিশুরা বিশেষ করে এই মিষ্টি খুব পছন্দ করে, তবে প্রাপ্তবয়স্করাও এর ক্রিমি ও মোলায়েম স্বাদের প্রেমে পড়ে। একবার চিজ ড্রিম ট্রাই করলে তা ছাড়া অন্য মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে হয় কম।
স্বল্প সময়ের মধ্যে তৈরি করা যায় এমন এই মিষ্টিটি ঘরে তৈরি করে অতিথি আপ্যায়ন, পারিবারিক জমায়েত বা নিজেকে ছোট ছোট আনন্দ উপহার দেওয়ার জন্য আদর্শ। চিজ ড্রিম তাই শুধু মিষ্টি নয়, বরং আনন্দ, স্বাদ এবং সৌন্দর্যের এক অনন্য সংমিশ্রণ।
দেখে নেই তাহলে কি কি লাগছে, এই রান্না করতে।
উপকরণ
১. রুটি (স্লাইস করে কাটা)২. পনীর (পাতলা করে কাটা)
৩. লবণ- ১ চা-চামচ
৪. শুকনা মরিচ গুড়া
৫. ডিম- ১ টা
৬. দুধ- ২৫০ গ্রাম
৭. ঘি বা তেল
প্রস্তুত প্রণালী
পাতনা করে রুটির স্লাইস কেটে ধারগুলো পরিষ্কার করে নিন। পাতলা করে পনীর কেটে দু'স্লাইস রুটির মধ্যে রাখুন। ইচ্ছা করলে পণীরের ওপর লবণ, শুকনা মরিচ গুড়া দিতে পারেন। অপর দিকে ১ টা ডিম, ২৫০ গ্রাম দুধ, ১ চা-চামচ লবণ এক সাথে গুলিয়ে নিন। এখন এই গোলানো উপকরণে তৈরী করে রাখা স্যান্ডুইচ ডুবিয়ে নিয়ে অল্প ঘি বা তেলে বাদামী করে উভয় দিক ভেজে নিন ও গরম গরম পরিবেশন করুন।পুষ্টিগুণ
চিজ ড্রিম স্বাদে যেমন মধুর ও ক্রিমি, পুষ্টিগুণের দিক থেকেও তা কিছুটা উপকারী হতে পারে। বিশেষ করে যদি এটি ঘরে তৈরি হয় এবং উপকরণ নিয়ন্ত্রণযোগ্য হয়। এতে প্রধানত ক্রিম চিজ থাকে, যা প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের উৎস হিসেবে কাজ করে, যা হাড় ও দাঁত মজবুত রাখতে সহায়তা করে। ফ্রেশ ক্রিম শরীরকে শক্তি দেয় এবং কিছু পরিমাণে ভিটামিন এ, ডি সরবরাহ করে।কনডেন্সড মিল্ক বা দুধ মিষ্টিতে থাকা ল্যাকটোজ শরীরের জন্য সহজে হজমযোগ্য শক্তি সরবরাহ করে। তবে চিজ ড্রিমে চিনি থাকে, তাই অতিরিক্ত খাওয়ার ক্ষেত্রে ক্যালোরি ও শর্করা বৃদ্ধি পেতে পারে। ফল, ভ্যানিলা বা চকোলেটের মতো ফ্লেভার সংযোজন করলে এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ছোট মাত্রার ভিটামিন পাওয়া যায়।
সবমিলিয়ে, চিজ ড্রিম মূলত আনন্দ ও স্বাদের জন্য উপযুক্ত হলেও এটি হালকা পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে, বিশেষ করে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও কিছু পরিমাণ শক্তির দিক থেকে। ঘরে তৈরি হলে স্বাস্থ্যের দিক থেকে আরও নিয়ন্ত্রণযোগ্য ও উপকারী করা সম্ভব।
আরো দেখুন
- কাঁচা তেজপাতায় ভিন্ন স্বাদের বিয়ে বাড়ির খাসির মাংস রান্না
- সহজে ও মজাদার নাস্তার চিড়ার পোলাও বানানোর উপায়
- ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু পুলি পিঠা বানানোর উপায়
- ঘরেই তৈরি করুন থাই স্যুপ – স্বাদে ও পুষ্টিতে অনন্য
- মুচমুচে পেঁয়াজ পাকোড়া বানানোর সহজ পদ্ধতি
- বিনা রসুন-পেঁয়াজে পারফেক্ট ফুলকপির নিরামিষ ডালনা
- কেশুনাট সালাদ ঘরে যেভাবে তৈরি করবেন
- থানকুনি পাতার গুণাগুণ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
- ঘরে তৈরি নরম ও মজাদার বন রুটি
- প্রেসার কুকারে ভাপা বা ধুকি পিঠা | Vapa Pitha
