সুইট পটেটো পাফ রেসিপি – স্বাস্থ্যকর ও মজাদার ঘরোয়া স্ন্যাকস

Nahar
0

সুইট পটেটো পাফ রেসিপি – স্বাস্থ্যকর ও মজাদার ঘরোয়া স্ন্যাকস

সুইট পটেটো পাফ একটি সুস্বাদু ও আকর্ষণীয় স্ন্যাকস, যা মিষ্টি আলুর প্রাকৃতিক স্বাদ ও পুষ্টিগুণকে নতুনভাবে উপস্থাপন করে। এরপর পাফ আকারে সাজিয়ে বেক করলে তৈরি হয় বাইরে খাস্তা আর ভেতরে নরম, মিষ্টি ও ক্রিমি সুইট পটেটো পাফ।

দেখে নেই তাহলে কি কি লাগছে, এই রান্না করতে।

উপকরণ

১. সিদ্ধ চটকানো মিষ্টি আলু- ২ কাপ
২. ক্রীম- ১ কাপ
৩. ডিমের ফেটানো হলুদ অংশ-২ টা
৪. লবণ-১/২ চা-চামচ
৫. ডিমের সাদা অংশ ভাল মত ফেটানো- ২ টা

প্রস্তুত প্রণালী

চটকানো আলু, ডিমের হলুদ অংশ, ক্রীন, লবণ একসাথে মিশিয়ে সসপ্যানে গরম করুন। খুব গরম হলে উপকরণ নামিয়ে ফেলুন ও এতে ফেটানো ডিমের হলুদ অংশ মেশান। উপকরণ খুব ফেটুন যতক্ষণ উপকরণ হাল্কা না হয়। এবারে উপকরণ হাল্কা ভাবে মাখন মাখানো বড় খালায় ঢালুন ও ওপরটায় ডিমের সাদা অংশ ঘষে দিন। এখন ওভেনে সাধারণ তাপে বেক করুন যতক্ষণ বাদামী না হয়।

চাইলে পাফের ভেতরে সামান্য চিজ, সবজি বা হার্বস যোগ করলে এর স্বাদ আরও বাড়ে।

তেলেভাজা স্ন্যাকসের তুলনায় বেক করা এই খাবারটি হালকা এবং সহজপাচ্য। বিকেলের নাশতায় বা শিশুদের টিফিনে এটি হতে পারে এক দারুণ সংযোজন।

চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে অতিথি আপ্যায়ন—সবক্ষেত্রেই সুইট পটেটো পাফ পরিবেশনে ভিন্ন আমেজ আনে। যারা ভাজাপোড়া কমিয়ে স্বাস্থ্যকর খাবারের খোঁজ করছেন, তাদের জন্য এটি এক আদর্শ স্ন্যাকস। সহজ উপকরণে তৈরি হলেও এর মোলায়েম টেক্সচার ও হালকা মিষ্টি স্বাদ যে কাউকে মুগ্ধ করতে বাধ্য।

সুইট পটেটো পাফ শুধু স্বাদের জন্য নয়, বরং স্বাস্থ্যকর পুষ্টিগুণের জন্যও বেশ জনপ্রিয়। এর প্রধান উপাদান মিষ্টি আলু, যা প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।

সুইট পটেটো পাফ বেক করে তৈরি করলে তেলের ব্যবহার কম হয়, ফলে এটি আরও স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হিসেবে উপভোগ করা যায়।

প্রতি ১০০ গ্রাম মিষ্টি আলু (সিদ্ধ) তে যে পুষ্টিগুণ

১. ক্যালোরি: প্রায় ৮৬ ক্যালোরি
২. কার্বোহাইড্রেট: ২০ গ্রাম
৩. প্রোটিন: ১.৬ গ্রাম
৪. চর্বি (Fat): ০.১ গ্রাম
৫. ডায়েটারি ফাইবার: ৩ গ্রাম
৬. ভিটামিন এ: দৈনিক প্রয়োজনের প্রায় ৩৫০%
৭. ভিটামিন সি দৈনিক প্রয়োজনের প্রায় ৩০%
৮. পটাশিয়াম: ৩৩৭ মি.গ্রা.
৯. ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম ও সামান্য পরিমাণে থাকে।

স্বাস্থ্য উপকারিতা:

১. ভিটামিন এ সমৃদ্ধ হওয়ায় চোখের দৃষ্টি ভালো রাখে।
২. ফাইবার হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।
৩. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৪. কম ফ্যাটযুক্ত হওয়ায় এটি ডায়েট স্ন্যাকস হিসেবে উপযোগী।
৫. পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Now
Ok, Go it!