টমেটো, শশা ও বাঁধাকপির মজাদার সালাদ – সহজ রেসিপি
টমেটো শশা-বাঁধাকপির সালাদ একটি সুস্বাদু, হালকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার যা শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। এই সালাদে রয়েছে টমেটোর টক-মিষ্টি স্বাদ, শশার ঠান্ডা ভাব এবং বাঁধাকপির কচকচে মজাদার টেক্সচার। সবজি তিনটির মিশ্রণে তৈরি এই সালাদ শরীরে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখার পাশা প্রতিদিনের খাবারের স্বাদ দ্বিগুণ করে দেয়। প্রস্তুতিও খুব সহজ — টমেটো, শশা ও বাঁধাকপি পাতলা করে কেটে লবণ, গোলমরিচ, লেবুর রস ও সামান্য অলিভ অয়েল বা সির্কা মিশিয়ে দিলেই তৈরি হয়ে যায় এই সতেজ ও মজাদার সালাদ।নিয়মিত টমেটো শশা-বাঁধাকপির সালাদ খেলে শরীর সতেজ থাকে, ত্বক উজ্জ্বল হয় এবং হজমের সমস্যা দূর হয়। এটি গরমের কিংবা শীতের দিনে হালকা খাবারের সময় একটি উপযুক্ত পুষ্টিকর সালাদ, যা সবার জন্য স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু বিকল্প।
দেখে নেই তাহলে কি কি লাগছে, এই রান্না করতে।
উপকরণ
১. টমেটো- বড় সাইজের ২টি২. পেঁয়াজ- বড় সাইজের ২টি
৩. শশা - বড় সাইজের ১টি
৪. বাঁধাকপির কচি পাতা বা সালাদ পাতা বা লেটুস পাতা- পরিমাণ মত
৫. লবণ- স্বাদ মত
৬. গোলমরিচের গুড়া- স্বাদ মত
৭. সির্কা- পরিমাণ
প্রস্তুত প্রণালী
টমেটো, শশা ও বড় বড় পেঁয়াজ চাক করে কাটে নিতে হবে। বাঁধাকপির কচি পাতাগুলি আস্ত রেখে অল্প লবণ পানি দিয়ে ভাপিয়ে নিতে হবে। এবার একটি প্লেটে ভাপানো বাঁধাকপির পাতা সাজিয়ে ওপরে টমেটো পেঁয়াজ, শশা, সাজিয়ে তার ওপরে সির্কা, লবণ ও গোলমরিচের গুড়া ছড়িয়ে দিতে হবে। বাঁধাকপি পাতার বদলে অন্য সালাদ পাতা বা লেটুস পাতাও ব্যবহার করতে পারেন।এই সালাদের পুষ্টিগুণ
টমেটো শশা-বাঁধাকপির সালাদ একটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার। এতে থাকা উপাদানগুলো শরীরের জন্য নানা উপকার বয়ে আনে।টমেটো: এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন C, লাইকোপিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা ত্বককে উজ্জ্বল রাখে, হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং কোষের বার্ধক্য ধীর করে।
শশা: এটি হাইড্রেটিং উপাদান হিসেবে কাজ করে, শরীরকে পানিতে ভরপুর রাখে এবং হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। এছাড়া শশা কম ক্যালরিযুক্ত হওয়ায় এটি ডায়েট খাবারের জন্য আদর্শ।
বাঁধাকপি: এতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন K, ক্যালসিয়াম ও আয়রন, যা হাড় ও দাঁতকে শক্ত রাখে, রক্ত তৈরি করতে সহায়তা করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
এই সালাদে সাধারণ লবণ, লেবুর রস এবং সামান্য অলিভ অয়েল বা সির্কা যোগ করলে এটি হয়ে ওঠে স্বাস্থ্যকর, হালকা ও পুষ্টিকর ডায়েট উপযোগী খাবার। নিয়মিত খেলে শরীর সতেজ থাকে, হজম ঠিক থাকে এবং সারাদিনের ক্লান্তি দূর হয়। এছাড়া এটি গরমের কিংবা শীতের দিনে বা হালকা খাবারের সঙ্গে পরিবেশন করার জন্য একদম উপযুক্ত।
